1. m.a.roufekhc1@gmail.com : alokitokha :
টানা বৃষ্টিতে দীঘিনালায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন - আলোকিত খাগড়াছড়ি

টানা বৃষ্টিতে দীঘিনালায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৯৬৮ বার পড়া হয়েছে
হাসান মোর্শেদ, দীঘিনালা:
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণে উপজেলার মাইনী নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। ফলে মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরের পর থেকে দীঘিনালা-লংগদু সড়কের বড়মেরুং অংশ পানির নিচে চলে যাওয়ায় দীঘিনালার সঙ্গে রাঙামাটির লংগদুর সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
মাইনী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় দুই তীরের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ডুবে গেছে। এর মধ্যে মেরুং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তত ২৩টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে ছোট মেরুং বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিনা চাকমা জানান, “আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের জন্য রান্না করা ও শুকনো খাবার সরবরাহের প্রস্তুতি চলছে।”
অন্যদিকে, কবাখালী ইউনিয়নের উত্তর ও দক্ষিণ মিলনপুর এলাকার অন্তত ১৯টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আরও ৮টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা (জ্ঞান) জানান, “যারা আশ্রয় নিয়েছে তাদের জন্য রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।”
এদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ ও পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকাগুলোতে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে যুব রেড ক্রিসেন্টের যুব সদস্যরা। যুব রেড ক্রিসেন্ট দীঘিনালা উপজেলা দলের উপ-দলনেতা দুর্জয় বড়ুয়া শান্ত বলেন, “অতিবৃষ্টিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি রয়েছে। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সচেতনতামূলক মাইকিং করেছি। আমাদের দুর্যোগ সাড়া প্রদান টিম সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।”
স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে কবাখালী ইউনিয়নের আরও কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হতে পারে এবং দীঘিনালা থেকে সাজেকের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে অতিরিক্ত আশ্রয়কেন্দ্র খোলা এবং জরুরি সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ